ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মোহনপুরে সড়ক পারাপারের সময় ট্রাকের ধাক্কায় ৮০ বছরের বৃদ্ধ নিহত মোহনপুরে সাড়ে তিন বছরের শি’শুকে ধ র্ষ ণে র চেষ্টার অভিযোগ এইচএসসি ফরম ফিলাপের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অফিস সহকারী গ্রেপ্তার রায়গঞ্জের হাটপাঙ্গাসী সড়কে গাছের মরা ডাল, বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় এলাকাবাসী রাজশাহীতে বোমা সন্দেহে আতঙ্ক, পরে মিলল মোটরসাইকেলের মিউজিক ডিভাইস পদ্মা রক্ষার দাবিতে রাজশাহীতে ‘রান ফর পদ্মা’ মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার সুযোগ পেলেন প্রবেশপত্রবঞ্চিত ১৮ পরীক্ষার্থী লালপুর থানার তিন দিনের প্রচেষ্টায় পরিবারের কাছে ফিরল পথভোলা কিশোরী নাটোরে বিকাশের সাড়ে তিন লাখ টাকা আত্মসাৎ করে ছিনতাইয়ের নাটক, সেলস অফিসার গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ার পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের নিচে বছরের পর বছর জলাবদ্ধতা; ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি

হালিশহরে গ্যাস বি’স্ফোরণ: দ/গ্ধ ৯ জনের একজনের মৃত্যু, বাকিদের অবস্থা আশ-ঙ্কাজনক

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৩৪ বার পড়া হয়েছে

Collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হালিশহরে গ্যাস বি’স্ফোরণ: দ/গ্ধ ৯ জনের একজনের মৃত্যু, বাকিদের অবস্থা আশ-ঙ্কাজনক

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় রেফার; জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা চলছে

চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকায় একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনের মধ্যে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে হালিশহরের এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় পাঠানো হলে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এর জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

সেখানে নুরজাহান আক্তার রানী (৪০) নামে এক নারীকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

দগ্ধরা হলেন—শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তার ভাই মো. শিপন (৩০), আরেক ভাই মো. সামির হোসেন সুমন (৪০), শাখাওয়াতের বড় ছেলে মো. শাওন (১৭), সুমনের বড় ছেলে মো. আনাস (৭), শাখাওয়াতের ছোট মেয়ে মো. আইমান (৯), সুমনের ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তার (৪), সুমনের স্ত্রী পাখি আক্তার (৩৫) এবং শাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০)।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, চট্টগ্রাম থেকে নয়জন দগ্ধ রোগী ঢাকায় আনা হয়। তাদের মধ্যে নুরজাহান আক্তারের শরীর শতভাগ দগ্ধ ছিল। হাসপাতালে আনার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

তিনি আরও জানান, শাখাওয়াত ও পাখি আক্তারের শরীর ১০০ শতাংশ, শিপনের ৮০ শতাংশ, শাওনের ৫০ শতাংশ, সামিরের ৪৫ শতাংশ, আয়েশার ৪৫ শতাংশ, আইমানের ৩৮ শতাংশ এবং আনাসের শরীর ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম থেকে আগেই রোগীদের রেফারের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়, যাতে দ্রুত চিকিৎসাসেবা দেওয়া যায়। বর্তমানে চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, দগ্ধের হার বেশি হওয়ায় অধিকাংশের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। কয়েকজনকে ইতোমধ্যে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-এ নেওয়া হয়েছে। বাকিদের পর্যবেক্ষণ শেষে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হালিশহরে গ্যাস বি’স্ফোরণ: দ/গ্ধ ৯ জনের একজনের মৃত্যু, বাকিদের অবস্থা আশ-ঙ্কাজনক

আপডেট সময় : ০৪:০১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হালিশহরে গ্যাস বি’স্ফোরণ: দ/গ্ধ ৯ জনের একজনের মৃত্যু, বাকিদের অবস্থা আশ-ঙ্কাজনক

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় রেফার; জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা চলছে

চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকায় একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনের মধ্যে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে হালিশহরের এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় পাঠানো হলে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এর জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

সেখানে নুরজাহান আক্তার রানী (৪০) নামে এক নারীকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

দগ্ধরা হলেন—শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তার ভাই মো. শিপন (৩০), আরেক ভাই মো. সামির হোসেন সুমন (৪০), শাখাওয়াতের বড় ছেলে মো. শাওন (১৭), সুমনের বড় ছেলে মো. আনাস (৭), শাখাওয়াতের ছোট মেয়ে মো. আইমান (৯), সুমনের ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তার (৪), সুমনের স্ত্রী পাখি আক্তার (৩৫) এবং শাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০)।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, চট্টগ্রাম থেকে নয়জন দগ্ধ রোগী ঢাকায় আনা হয়। তাদের মধ্যে নুরজাহান আক্তারের শরীর শতভাগ দগ্ধ ছিল। হাসপাতালে আনার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

তিনি আরও জানান, শাখাওয়াত ও পাখি আক্তারের শরীর ১০০ শতাংশ, শিপনের ৮০ শতাংশ, শাওনের ৫০ শতাংশ, সামিরের ৪৫ শতাংশ, আয়েশার ৪৫ শতাংশ, আইমানের ৩৮ শতাংশ এবং আনাসের শরীর ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম থেকে আগেই রোগীদের রেফারের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়, যাতে দ্রুত চিকিৎসাসেবা দেওয়া যায়। বর্তমানে চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, দগ্ধের হার বেশি হওয়ায় অধিকাংশের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। কয়েকজনকে ইতোমধ্যে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-এ নেওয়া হয়েছে। বাকিদের পর্যবেক্ষণ শেষে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হতে পারে।