সাপাহারে ১৫ নারীকে সেলাই মেশিন দিল বসুন্ধরা শুভসংঘ
- আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬ ১০৩ বার পড়া হয়েছে

সাপাহারে ১৫ নারীকে সেলাই মেশিন দিল বসুন্ধরা শুভসংঘ
তিন মাসের প্রশিক্ষণ শেষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্নে এগোচ্ছেন সুবিধাবঞ্চিত নারীরা
নওগাঁর সাপাহারে অস্বচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত ১৫ জন নারীকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করেছে কালের কণ্ঠ বসুন্ধরা শুভসংঘ। এর আগে এসব নারীকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে তিন মাসব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে তারা এখন নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন।
রোববার (২৯ মার্চ) বেলা ১১টায় সাপাহার উপজেলা পরিষদ হলরুমে কালের কণ্ঠ বসুন্ধরা শুভসংঘ সাপাহার উপজেলা শাখার আয়োজনে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৫ জন নারীর প্রত্যেকের হাতে একটি করে সেলাই মেশিন তুলে দেওয়া হয়।
বসুন্ধরা শুভসংঘ সাপাহার শাখার সভাপতি মনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপাহার আল-হেলাল ইসলামী একাডেমি অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম। তিনি বক্তব্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাপাহার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার জাহান চৌধুরী (লাবু), সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান মুকুল, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শামসুন্নাহার সুমি এবং কালের কণ্ঠ শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কালের কণ্ঠের নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি ফরিদুল করিম, সাপাহার-পোরশা প্রতিনিধি ও সাপাহার প্রেসক্লাব সভাপতি তছলিম উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘের এই উদ্যোগ গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক মুক্তি ও ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রশিক্ষণ শেষে সেলাই মেশিন পাওয়ায় নারীরা এখন ঘরে বসেই আয় করতে পারবেন, যা তাদের পরিবারে সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।
তারা আরও আশা প্রকাশ করেন, বসুন্ধরা গ্রুপের এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সেলাই মেশিন পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে এক নারী প্রশিক্ষণার্থী বলেন, “আমাদের মতো অসহায় নারীদের জন্য এই সেলাই মেশিন আশীর্বাদস্বরূপ। প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ শিখেছি, এখন মেশিন পাওয়ায় নিজের আয়ে সংসার চালাতে পারব, ইনশাআল্লাহ।”









