
তিন সন্তানের জননী আঞ্জুয়ারা বেগমকে বিয়ে করার দাবি করেছেন উপজেলা ভূমি অফিসের এক কর্মচারী; তবে তার আগের স্বামী বলছেন, তাদের বিচ্ছেদ হয়নি।
মো. কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়ঃ
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে তিন সন্তানের জননী আঞ্জুয়ারা বেগমকে নিজের স্ত্রী দাবি করেছেন সফিকুল ইসলাম নামে উপজেলা ভূমি অফিসের এক কর্মচারী। তবে ওই নারীর আগের স্বামী বেলাল হোসেনের দাবি, তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি গড়িয়েছে থানায়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার দেবীডুবা ইউনিয়নের খুটামারা এলাকায় বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সফিকুল ইসলাম প্রায়ই খুটামারা এলাকার আছিম উদ্দিনের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। এ নিয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়। ঘটনার দিন বিকেলে তাকে ওই বাড়িতে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করেন স্থানীয়রা। এ সময় সফিকুল দাবি করেন, আছিম উদ্দিন তার শ্বশুর এবং তার মেয়ে আঞ্জুয়ারা বেগমকে ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ে করেছেন।
তবে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আঞ্জুয়ারা বেগমের স্বামী হিসেবে তারা দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের পূর্ব দেবীডুবা সবুজপাড়া এলাকার বেলাল হোসেনকে চেনেন। প্রায় ২৫ বছর আগে পারিবারিকভাবে বেলাল ও আঞ্জুয়ারার বিয়ে হয়। তাদের তিন সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ের বিয়েও হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্নের জবাবে আঞ্জুয়ারা বেগম জানান, তিনি আগের স্বামীকে তালাক দিয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তালাকের কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। তার দাবি, কাগজপত্র আগের স্বামীর ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে সফিকুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমীনের সঙ্গে তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। নিলুফা জানান, স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
বেলাল হোসেন অভিযোগ করেন, সফিকুল ইসলাম তার স্ত্রীকে প্ররোচিত করে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তার দাবি, এ কারণে প্রায় তিন মাস আগে আঞ্জুয়ারা বাবার বাড়িতে গিয়ে থাকতে শুরু করেন। বুধবার হঠাৎ তিনি সফিকুলের সঙ্গে স্ত্রীর বিয়ের দাবির কথা জানতে পারেন। তিনি বলেন, তালাকের কোনো কাগজপত্রও তিনি পাননি। এ ঘটনায় দেবীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলেও জানান বেলাল।
অভিযোগের বিষয়ে সফিকুল ইসলাম বলেন, আগের দিন তার শ্বশুর ফোন করে দেখা করতে বলায় তিনি ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, আঞ্জুয়ারা বেগমের সঙ্গে তাদের ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ে হয়েছে এবং তাদের মধ্যে কোনো অবৈধ সম্পর্ক নেই।
তবে বিয়ের দাবি ও আগের বিবাহবিচ্ছেদের বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও আইনগত অবস্থান যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.