
এসেছে ১৮টি কোচ, পর্যায়ক্রমে আরও ২০০টি কোচ আসবে; বাংলাবান্ধা রেললাইন সম্প্রসারণ আপাতত স্থগিত
মো. কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়ঃ
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন বলেছেন, পঞ্চগড় থেকে নতুন একটি ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে ১৮টি কোচ আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ২০০টি কোচ আসবে। এসব কোচ দিয়ে নতুন ট্রেন চালুর পাশাপাশি পুরোনো কোচ প্রতিস্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে ঢাকা থেকে রেলপথে পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব তথ্য জানান রেলওয়ের মহাপরিচালক।
মো. আফজাল হোসেন বলেন, ১৮টা কোচ আনা হয়েছে। পঞ্চগড় থেকে আমরা আপাতত একটা নতুন ট্রেন চালু করব। এরপরে আরও আমাদের টোটাল ২০০ কোচ আসবে। তো সেগুলা দিয়ে আমরা কিছু নতুন ট্রেন, কিছু রিপ্লেসমেন্টের পরিকল্পনা আছে। পর্যায়ক্রমে কোচগুলো আসতে থাকবে, পর্যায়ক্রমে আমরা এগুলা চালু করব।
তিনি জানান, পঞ্চগড় স্টেশনের লোডিং-আনলোডিং সুবিধা এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর সক্ষমতা যাচাই করতে তারা এসেছেন। সেখানে কী ধরনের চাহিদা রয়েছে, তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
মহাপরিচালক বলেন, চাহিদা বেশি থাকলে এবং পর্যাপ্ত জায়গা পাওয়া গেলে স্টেশনের রেললাইন সম্প্রসারণ, অতিরিক্ত কোচ প্রবেশের ব্যবস্থা কিংবা পাশে আরেকটি লাইন নির্মাণের বিষয় বিবেচনা করা হবে।
পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে রেলওয়ের মহাপরিচালক বলেন, এটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়। দেশের সব রেললাইন এখনো ব্রডগেজে রূপান্তরিত হয়নি।
তিনি বলেন, ব্রডগেজে রূপান্তরের কাজ শেষ হওয়ার পর পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের যৌক্তিকতা পর্যালোচনা করা হবে। এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য যাত্রীসংখ্যা ও যাত্রী চাহিদাও বিবেচনায় নিতে হবে।
পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের বিষয়ে মহাপরিচালক বলেন, এ নিয়ে আগে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। তবে বাংলাবান্ধার পর ভারতের সঙ্গে রেলপথের সংযোগ না থাকায় প্রকল্পটি থেকে প্রত্যাশিত আঞ্চলিক যোগাযোগ সুবিধা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
তিনি জানান, এই রেলপথ দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা কিছুটা পূরণ করা সম্ভব হলেও ভারতের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন না হলে আঞ্চলিক যোগাযোগের মূল উদ্দেশ্য অর্জিত হবে না।
মহাপরিচালকের ভাষ্য, এ ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্মতি ও সহযোগিতা প্রয়োজন। দুই দেশ একমত হলে ভবিষ্যতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিষয়টি আবার বিবেচনা করা যেতে পারে। আপাতত এ পরিকল্পনা স্থগিত রয়েছে।
পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনের বিষয়ে তিনি বলেন, স্টেশনের বর্তমান সুযোগ-সুবিধা, লোডিং-আনলোডিং কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা যাচাই করতেই এ পরিদর্শন। চাহিদা ও জায়গার প্রাপ্যতা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.