
মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর প্রতিনিধিঃ
শেরপুরে পাখি শিকার বন্ধে সদর ও নকলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে শিকারের সরঞ্জাম ও ১২টি বক উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় পাখি শিকারের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে সদর ও নকলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুর বার্ড ক্লাব এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে পাখি শিকারের আটটি ‘হালা’ (শিকারের সরঞ্জাম) ও ১২টি বক উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা বকগুলো প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে পাখি সংরক্ষণ ও শিকার বন্ধে স্থানীয়দের সচেতন করতে লিফলেট ও স্টিকার বিতরণ করা হয়।
অভিযান চলাকালে নকলার গণপদ্দী ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর ছেলে মো. আব্দুর রাজ্জাক (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে তিনটি বক ও শিকারের সরঞ্জামসহ আটক করা হয়। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০২৬-এর আওতায় সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ সাজা দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন এ্যানি।
অভিযানে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, শেরপুর বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইনের নির্বাহী পরিচালক এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. মুগনিউর রহমান মনি ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবী ও অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার বলেন, পাখি শিকারের অভিযোগে আব্দুর রাজ্জাককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পাখি শিকার বন্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.