
মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর প্রতিনিধিঃ
শরীরের বাম পাশ অবশ হয়ে পড়ে আছে প্রায় তিন বছর। নেই কাজ করার সামর্থ্য, নেই চিকিৎসার অর্থ। স্ত্রী মাটির হাঁড়ি-পাতিল তৈরি করে যে সামান্য আয় করেন, তা দিয়েই চলে চার সদস্যের সংসার। সহায়-সম্বল বলতে রয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ জমি।
এমন পরিস্থিতিতে শেরপুরের ঝিনাইগাতীর সুরেশ চন্দ্র পাল প্রায় তিন বছর ধরে অপেক্ষা করছেন একটি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ডের জন্য। সুরেশ চন্দ্র পাল উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মরহুম কালীপদ পালের ছেলে। স্ত্রী শ্রীমতি চায়না রানী ও দুই ছেলেকে নিয়ে তাঁর সংসার।
একসময় মাটির হাঁড়ি-পাতিল তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন সুরেশ। প্রায় তিন বছর আগে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হওয়ার পর তার শরীরের বাম পাশ অবশ হয়ে যায়। এরপর থেকে আর কাজ করতে পারেন না তিনি। কর্মক্ষমতা হারিয়ে ঘরেই পড়ে থাকতে হচ্ছে তাকে।
সংসারের দায়িত্ব এখন স্ত্রী চায়না রানীর ওপর। তিনি নিজ হাতে মাটির হাঁড়ি-পাতিল তৈরি করে বিক্রি করেন। সেই সামান্য আয় দিয়ে সংসারের চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। অর্থাভাবে সুরেশের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও করাতে পারছেন না পরিবারটি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় দুই বছর আগে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ডের জন্য উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে আবেদন করেছিলেন সুরেশ। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো তিনি ভাতার কার্ড পাননি। সরকারি কোনো সহায়তাও পাননি বলে পরিবারের দাবি।
সুরেশ চন্দ্র পাল বলেন, শরীরের এক পাশ অচল। কোনো কাজ করতে পারি না। সংসারে অভাব, চিকিৎসার টাকাও নেই। অনেক আগে ভাতার জন্য আবেদন করেছি। সরকার যদি একটি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড দেয়, তাহলে পরিবারটি অন্তত বাঁচার একটা অবলম্বন পাবে।
এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সানজা ইসলাম সানীর সঙ্গে কথা হলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.