রামিসা হ/ত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃ/ত্যুদণ্ডে স্বস্তি সিংড়াজুড়ে
- আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬ ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

রামিসা হ/ত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃ/ত্যুদণ্ডে স্বস্তি সিংড়াজুড়ে
দেশব্যাপী আলোচিত রাজধানী ঢাকার পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ৩৩ বছরের সোহেল রানা ও ২৮ বছরের তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায়ের পর নাটোরের সিংড়া উপজেলার মহেশচন্দ্রপুর গ্রামে, যেখানে দণ্ডপ্রাপ্ত দম্পতির বাড়ি, সেখানে স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রোববার (৭ জুন) দুপুরে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। আদালত শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।
রায় ঘোষণার পর সিংড়ার মহেশচন্দ্রপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সোহেলের বাড়িতে স্বাভাবিক পরিবেশ বিরাজ করছে। পরিবারের সদস্যরা নিজেদের দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তারা জানান, রায়ের বিষয়ে আগে থেকে অবগত ছিলেন না। স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছ থেকেই তারা বিষয়টি জানতে পারেন।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সোহেলের বোন জলি বেগম বলেন, “আমরা ধারণা করেছিলাম আমার ভাইয়ের ফাঁসি হবে। আদালতের রায় মেনে নিয়েছি। আর্থিক সামর্থ্য থাকলে আপিল করতাম।”
সোহেলের বাবা জাকির হোসেন বলেন, “আমরা খুবই গরিব মানুষ। আপিল করার মতো সামর্থ্য নেই। সরকার আইনজীবী দিলে আমরা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের কথা ভাববো।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেলের বিরুদ্ধে এর আগেও এলাকায় বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। প্রায় তিন বছর আগে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে সিংড়া ছেড়ে ঢাকায় চলে যান।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড ছিল অত্যন্ত নৃশংস ও হৃদয়বিদারক। আদালতের দ্রুত বিচার ও রায়ে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেবে।
আইনজীবী ও সচেতন মহলের মতে, আলোচিত এই মামলার বিচার কার্যক্রম স্বল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হওয়া দেশের বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য, রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। মামলার তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করে আদালত রায় প্রদান করেন।



















