ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লালপুরে ৩৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, থানায় মামলা ঠাকুরগাঁওয়ে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন পঞ্চগড় হাসপাতালের বেডে শি/শুকে ধ/র্ষ/ণচেষ্টার অভিযোগ, চিকিৎসাধীন রোগীকে গ্রেপ্তার সিংড়ায় ৭ মাসের গর্ভবতী স্ত্রীকে কু’পিয়ে হ/ত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক মান্দায় এতিমখানার উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা সামান্য বৃষ্টিতেই ধস, গোদাগাড়ীর সরমংলা ইকো পার্কের ওয়াকওয়ে নিয়ে প্রশ্ন তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে রাজশাহী চিনিকল শ্রমিকরা, শুরু ফটক সভা বরেন্দ্রকে স্মার্ট কৃষি অঞ্চলে গড়তে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বিএমডিএ চেয়ারম্যানের উত্তরাঞ্চলে প্রথমবার শিশুদের জন্মগত হৃদরোগ শনাক্তে বিশেষ উদ্যোগ, রাজশাহীতে তিন দিন বিনামূল্যে স্ক্রিনিং বাগাতিপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে এসএসএসের ১,২৫০টি গাছের চারা বিতরণ

পবায় নারী হ’ত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫ ৫৪১ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পবায় নারী হ’ত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

রাজশাহীর পবা উপজেলার বাগসারা এলাকায় এক নারীর বিবস্ত্র লাশ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- বাগসারা গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে তারা মিয়া (৩৩), মহানন্দাখালী এলাকার ইছুল মণ্ডলের ছেলে ফারুক হোসেন (৩০) এবং একই এলাকার এন্তাজ আলীর ছেলে হেলাল উদ্দিন (২৩)।

সোমবার (২০ অক্টোবর) রাতে রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নিহত নারীর নাম বিউটি বেগম। ধানখেত থেকে লাশ উদ্ধারের পর পবা থানা পুলিশ ও মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যৌথ অভিযানে হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শারিফুর রায়হান তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে আসামিদের শনাক্ত করেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (১৯ অক্টোবর) রাতে নগরীর সোনাদিঘী মোড় থেকে তারা মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ধারাবাহিক অভিযানে মহানন্দাখালী এলাকা থেকে ফারুক হোসেন এবং পিল্লাপাড়া এলাকা থেকে হেলাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তারের পর সোমবার আদালতে হাজির করলে তারা মিয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তিনি বিউটি বেগম হত্যায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন এবং অপর দুই সহযোগীর নামও উল্লেখ করেন।

পুলিশ জানায়, জবানবন্দিতে তারা মিয়া বলেন, বিউটি বেগম টাকার বিনিময়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত ছিলেন। ৫ হাজার টাকায় চুক্তি হলেও টাকা পরিশোধ না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ ধানের জমিতে ফেলে রাখা হয়।

নিহতের ছেলে মো. মিলন প্রাং (২৫) পবা থানায় দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করেন, তার মা প্রায় ১৫ বছর আগে স্বামীর সংসার ছেড়ে আলাইবিদিরপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং স্থানীয় এক হোটেলে কাজ করতেন। দুই বছর আগে তিনি গাইবান্ধার রাশেদ নামে এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন।

গত ১৮ অক্টোবর সকালে রাশেদ ফোনে জানান, বিউটির ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। পরে মিলন মায়ের বাসায় গিয়ে ঘর তালাবদ্ধ পান। স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারেন, ঘরটি কয়েকদিন ধরে বন্ধ। এরপর খবর আসে, পবা উপজেলার বাগসারা এলাকায় অজ্ঞাত এক নারীর লাশ উদ্ধার হয়েছে। নিহতের কোমরে থাকা চাবি দিয়ে তালা খুলে মিলন নিশ্চিত হন- মৃতদেহটি তাঁর মা বিউটি বেগমের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পবায় নারী হ’ত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

পবায় নারী হ’ত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

রাজশাহীর পবা উপজেলার বাগসারা এলাকায় এক নারীর বিবস্ত্র লাশ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- বাগসারা গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে তারা মিয়া (৩৩), মহানন্দাখালী এলাকার ইছুল মণ্ডলের ছেলে ফারুক হোসেন (৩০) এবং একই এলাকার এন্তাজ আলীর ছেলে হেলাল উদ্দিন (২৩)।

সোমবার (২০ অক্টোবর) রাতে রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নিহত নারীর নাম বিউটি বেগম। ধানখেত থেকে লাশ উদ্ধারের পর পবা থানা পুলিশ ও মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যৌথ অভিযানে হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শারিফুর রায়হান তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে আসামিদের শনাক্ত করেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (১৯ অক্টোবর) রাতে নগরীর সোনাদিঘী মোড় থেকে তারা মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ধারাবাহিক অভিযানে মহানন্দাখালী এলাকা থেকে ফারুক হোসেন এবং পিল্লাপাড়া এলাকা থেকে হেলাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তারের পর সোমবার আদালতে হাজির করলে তারা মিয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তিনি বিউটি বেগম হত্যায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন এবং অপর দুই সহযোগীর নামও উল্লেখ করেন।

পুলিশ জানায়, জবানবন্দিতে তারা মিয়া বলেন, বিউটি বেগম টাকার বিনিময়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত ছিলেন। ৫ হাজার টাকায় চুক্তি হলেও টাকা পরিশোধ না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ ধানের জমিতে ফেলে রাখা হয়।

নিহতের ছেলে মো. মিলন প্রাং (২৫) পবা থানায় দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করেন, তার মা প্রায় ১৫ বছর আগে স্বামীর সংসার ছেড়ে আলাইবিদিরপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং স্থানীয় এক হোটেলে কাজ করতেন। দুই বছর আগে তিনি গাইবান্ধার রাশেদ নামে এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন।

গত ১৮ অক্টোবর সকালে রাশেদ ফোনে জানান, বিউটির ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। পরে মিলন মায়ের বাসায় গিয়ে ঘর তালাবদ্ধ পান। স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারেন, ঘরটি কয়েকদিন ধরে বন্ধ। এরপর খবর আসে, পবা উপজেলার বাগসারা এলাকায় অজ্ঞাত এক নারীর লাশ উদ্ধার হয়েছে। নিহতের কোমরে থাকা চাবি দিয়ে তালা খুলে মিলন নিশ্চিত হন- মৃতদেহটি তাঁর মা বিউটি বেগমের।