পবায় ঋণের দায়ে দুই সন্তানসহ স্ত্রীকে হ ত্যার পর স্বামীর আ ত্মহ-ত্যা
রাজশাহীর পবায় অভাবের তাড়নায় এবং ঋণের দায়ে দুই সন্তানসহ স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছেন স্বামী মিনারুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের বামুনশিকড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকালে পবার বামুনশিকড় এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে মতিহার থানা পুলিশ। এসময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ওই ঘটনার একটি চিরকুট উদ্ধার করে।
সেই চিরকুটে লেখা আছে, "আমি নিজ হাতে সবাকে মারলাম. এই কারণে যে আমি একা জদি মরে যাই- তাহলে, আমার বো ছেলে মেয়ে কার আশায় বেচে থাকবে। কষ্ট আর দুঃখ ছাড়া কিছুই পাবে না। আমারা মরে গেলাম রেনের দায়ে আর খাওয়ার অভাবে। এত কষ্ট আর মেনে নিতে পারছিনা। তাই আমাদের বেচে থাকার চেয়ে মরে গেলাম সেই ভাল হলো। কারও কাছে কিছু চাই হবো। আমার জন্নে কাওকে মানুসের কাছে ছোট হতে হবে আমার বাবা আমার জন্য অনেক লোকের ছোট হয়েছে আর হতে হবেনা।
চিরদিনের জন্য চলে গেলাম।
আমি চাই সবাই ভাল থাকবেন।
ধন্যবাদ"
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পবার বামুনশিকড় এলাকার রুস্তম আলীর ৩৫ বছরের ছেলে মিনারুল ইসলাম তার স্ত্রী ২৮ বছরের সাধিনা বেগম, ১৩ বছর বয়সী ছেলে মাহিম এবং ১৮ মাসের শিশু কন্যা মিথিলকে গামছা দিয়ে বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যার পর ওই গামছা দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে সে আত্মহত্যা করে। নিহত মাহিম স্থানীয় খড়খড়ি উচ্চ বিদয়ালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত।
নিহতের শ্বশুর আবদুল মালেক বলেন, মনিরুল ইসলাম কৃষি কাজ করত। জানা মতে তার ঋণ ছিল। তারা মাটির ঘরে বসবাস করত।
রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার আবু সুফিয়ান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা জানতে পেরেছি মিনারুল তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে গামছা দিয়ে বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এরপর তিনি নিজেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ঘটনার পর পুলিশ সেখানে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, মানসিক হতাশাগ্রস্থ ও ঋণের জন্য এই ঘটনা ঘটতে পারে।
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.