
সাজু মাহমুদ, মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর মান্দায় সোনালী ব্যাংক মান্দা শাখায় গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। নাম ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই গ্রাহক জানান, উক্ত শাখা থেকে মোবাইল ফোনে তাঁর নামে ইস্যুকৃত এটিএম কার্ড সংগ্রহের জন্য বলা হয়।
ওই গ্রাহক (শিক্ষক) বুধবার (১ ডিসেম্বর) বেলা এগারো ঘটিকার পর ব্যাংকে যান। হেল্পডেস্কে গিয়ে সহযোগিতা চান। হেল্পডেস্ক থেকে সিনিয়র অফিসার ফাহমিদুর রহমানের নিকট পাঠান। ফাহমিদুর রহমান সপ্তাহখানেক পরে আসতে বলেন। ওই গ্রাহক (শিক্ষক) তাঁকে অনুরোধ করেন, বিশ কিলোমিটার দূর থেকে এসেছি, আমাকে এটিএম কার্ডটি দেয়ার ব্যবস্থা করুন। তাতেই ওই সিনিয়র অফিসার ফাহমিদুর রহমান তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন। এবং ওই গ্রাহকের সাথে অসদাচারণ শুরু ও ভৎসনা করতে থাকেন। সূত্র জানা যায়, তিনি নতুন যোগদান করেছেন।
ওই ব্যাংক কর্মকর্তা প্রায় দিন গ্রাহকদের সঙ্গে তর্কে, বাকবিতন্ডায় জড়ান। নিরুপায় গ্রাহক তাঁর অশালীন আচরণের প্রতিবাদ করেন। অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী ছুটে এসে এটিএম কার্ডটি দেয়ার অনুরোধ করেন। ওই কর্মকর্তা সাফ জানিয়ে দেন, তিনি আর কার্ডটি দিবেন না। যা করার করুন। সেকেন্ড অফিসারের নির্দেশকে তিনি তোয়াক্কা করেননি।
অবশেষে সেকেন্ড অফিসার অপর কর্মকর্তার মাধ্যমে কার্ডটি প্রদান করেন। গ্রাহক কার্ডটি সচল করার জন্য আকুতি জানালে, তাঁকে সপ্তাহ খানেক পরে সচল করে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। অর্থাৎ গ্রাহককে পুনঃরায় কার্ড সচলের জন্য আরও একদিন ব্যাংকে ধরনা দিতে হবে। ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এটিএম কার্ড ইস্যুকারী কর্মকর্তা প্রশিক্ষণে রয়েছেন। সেকেন্ড অফিসার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা না থাকায় সমস্যা হয়েছে।
তিনি প্রশিক্ষণে থাকায় অন্য কারও উপর দায়িত্ব ন্যাস্ত হওয়ার কথা এমন প্রশ্নে তিনি বিষয়টি এডিয়ে যান। ওই গ্রাহক আরও জানান, বুধবার সকাল এগারো ঘটিকা থেকে একটা পর্যন্ত ব্যাংকে কোন ভিড ছিল না। সিসি ক্যামেরা চেক করলে তার সব প্রমাণ মিলবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গ্রাহক জানান, সোনালী ব্যাংক মান্দা শাখায় প্রায় সময় গ্রাহক হয়রানি করা হয়। অধিকাংশ স্টাফদের আচরণ রুক্ষ। সামান্য সৌজন্যবোধ তাঁদের নেই।
সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় শাখা ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান ব্যাংকে উপস্থিত ছিলেন না। গ্রাহককে ডেকে ডকুমেন্টস না দেয়া, গ্রাহক হয়রানির মধ্যে পড়ে কী না মুঠোফোনে জানতে চাইলে শাখা ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান জানান, আমি খোঁজ খবর নিয়ে আপনাকে জানাচ্ছি। হয়রানির শিকার বেশ কিছু গ্রাহক, তদন্ত সাপেক্ষে সোনালী ব্যাংকের ঊর্ধ্বোতন কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.