রাণীশংকৈলে বৃষ্টির জন্য কয়েক শতাধিক মুসল্লীর নামাজ আদায়!
নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধি:
রাণীশংকৈলে বৃষ্টির জন্য কয়েক শতাধিক মুসল্লীর নামাজ আদায়! বৈশাখ মাসের শেষেও অনাবৃষ্টি ও দাবদাহ। সর্বত্র চলছে কয়েক দিনের টানা খরা। ফসলি জমি শুকিয়ে ফাটল ধরছে। বৃষ্টির জন্য হাহাকার হয়ে পড়েছে কৃষক। ফলে সব আবাদ ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে উত্তরের জেলা গুলোতে। সূর্যের গনগনে আঁচে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। প্রচণ্ড তাপদাহে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বেড়েছে ডায়রিয়া, জ্বর, সর্দিসহ গরমজনিত নানা রোগ। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভুট্টা, ধান, গমসহ মাঠের অন্যান্য ফসল। নষ্ট হয়ে ঝরে পড়ছে আম ও লিচু। ব্যাহত হচ্ছে কৃষিকাজ।
এ অবস্থায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বৃষ্টি চেয়ে ইস্তিসকার নামাজ ও বিশেষ দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। বৃষ্টি চেয়ে কয়েক শত মুসল্লি ইস্তিস্কার নামাজ আদায় করেছেন ও বিশেষ দোয়া করেন আল্লাহর দরবারে।
শনিবার (১৩ মে) উপজেলার মধ্য ভান্ডারা দারুল কুরআন সলিমিয়া মাদ্রাসার মাঠে দুপুরের দিকে এই নামাজ আদায় করেন আলেম উলেমা ও সাধারণ মুসল্লিরা। নামাজ শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন ভান্ডারা দারুল কুরআন সলিমিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি ইয়াকুব আলী। নামাজে কয়েক শ মানুষ উপস্থিত হন।
নামাজে অংশ নেয়া কৃষক সুলতান বলেন, ‘আমার জীবনে রোদের তাপ এত দেখিনি। ঘরের ভেতরে বা বাইরে কোথাও থাকা যাচ্ছে না। ফ্যানের বাতাসেও কাজ হচ্ছে না। কঠিন সময় অতিক্রম করছি আমরা। আল্লাহ যেন বৃষ্টি দিয়ে আমাদের উপকার করেন, সেই আশায় এসেছি প্রার্থনা করতে।’
আরেক মুসল্লি আশরাফুল ইসলাম আশরাফ বলেন, ‘আমরা কৃষিকাজ করে সংসার চালাই। বৃষ্টির কারণে আমরা আমন রোপণ করতে পারছি না৷ এই গরমে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাই বৃষ্টির জন্য আমরা নামাজ আদায় ও দোয়া করলাম।’
নামাজ ও মোনাজাত পরিচালনাকারী ইমাম মুহতামিম মুফতি ইয়াকুব আলী বলেন, ‘রাসুল (সা.) তার সময়েও বৃষ্টির জন্য এই সালাত আদায় করতেন। আমরাও আদায় করলাম। আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলাম এবং বৃষ্টি চাইলাম।'
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.