
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেড় বছর বয়সী এক শিশুর হামের পরই ডেঙ্গু ধরা পড়েছে। শিশুটিকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। শিশুটি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে মৌসুমের প্রথম ডেঙ্গু রোগী।
শিশুটির নাম তাইবা। বাড়ি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা চৌধুরীপাড়া গ্রামে। হামের চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর গত শুক্রবার রাতে তাকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত রোববার রক্ত পরীক্ষায় ধরা পড়ে, শিশুটি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে।
শিশুটির বাবার নাম জাহিদুল ইসলাম। তিনি একজন দরিদ্র কৃষক। অন্যের জমিতে কাজ করেন। রোববার রাতে জাহিদুল ইসলাম বলেন, তাঁদের একমাত্র সন্তানকে বাঁচানোর জন্য যা করার দরকার, তাই করবেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এ মাসের শুরুতে জ্বর, কাশি হলে দুই দিন পর শিশুটিকে স্থানীয় জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন শরীরে লালচে দানার মতো ফুসকুড়ি বের হয়। হামের উপসর্গ নিয়ে ১২ দিন পর সুস্থ হয়ে বাড়িতে চলে যায়। হামের টিকা দেওয়া হয়। গত বুধবার আবার জ্বর, কাশি হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় শিশুটিকে স্থানীয় ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে ঢাকা বা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে বলেন। শুক্রবার রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড হয়ে আইসিইউতে ভর্তি করা হয় শিশুটিকে।
হাসপাতালের আইসিইউর দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, গত শনিবার আমি রাউন্ড দিতে গিয়ে দেখি, প্রচণ্ড দুর্বল একটি বাচ্চার রিপোর্টে রক্তের শ্বেতকণিকা অনেক বেশি, কিন্তু প্লাটিলেট অনেক কম। রোববার সকালে রাউন্ডের সময় পুনরায় পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করা হলো আইসিইউর ল্যাবে, সঙ্গে ডেঙ্গু পরীক্ষা। এ মৌসুমের প্রথম ডেঙ্গু পরীক্ষায় পজিটিভ এল।
তিনি বলেন, শিশুটি হামের ধকল সইতে না সইতে আবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। বাচ্চা নিজে যুদ্ধ করছে, বাবা–মায়ের সঙ্গে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু আইসিইউতে কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স সবাই চেষ্টা করছে।
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.