
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের জ্বালানি বাজারেও। রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে পেট্রল ও অকটেনের সংকট দেখা দেওয়ায় মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। কোথাও সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ৩০০ টাকা এবং কোথাও ৫০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় মোট ২৭৯টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। গত তিন দিন ধরে এসব স্টেশনে পেট্রল ও অকটেন সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজশাহী নগরীর বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশনে গ্রাহকদের চাহিদামতো তেল দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। শুক্রবারও একই চিত্র দেখা গেছে। সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন পাম্পে বাইকারদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।
মোটরসাইকেল চালক রবিউল ইসলাম খোকন বলেন, প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে যেতে হবে, কিন্তু তাকে মাত্র ৩০০ টাকার তেল দেওয়া হয়েছে। একইভাবে কাশিয়াডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানা জানান, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও ৩০০ টাকার বেশি তেল পাওয়া যাচ্ছে না।
প্রাইভেটকার চালক মাহমুদ হাসান বলেন, পরিবার নিয়ে দূরে যেতে হলে ৩০০ টাকার তেল খুবই অল্প। যদি প্রকৃত সংকট না থাকে, তাহলে সীমাবদ্ধতা কেন দেওয়া হচ্ছে তা বোঝা যাচ্ছে না।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী বিভাগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ফলে গত কয়েকদিন ধরে ফিলিং স্টেশনগুলো চাহিদামতো তেল পাচ্ছে না। এ কারণে অনেক পাম্পে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে এবং কয়েকটি স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়ায় অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনে সংরক্ষণ করছেন, যার ফলে সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠছে।
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.