
রাজশাহীর মহানগর ও আশপাশের উপজেলার বাজারগুলোতে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিম ও মুরগির দাম কমেছে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে। তবে আলু, পেঁয়াজ, শসা ও গাজরের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে চাল, মাছ ও গরুর মাংসের বাজার মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) নগরীর সাহেববাজার, শালবাগানসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে বর্তমানে ফার্মের লাল ডিম প্রতি হালি ৩৪ থেকে ৩৬ টাকা, সাদা ডিম ৩২ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ৫৫ টাকা এবং হাঁসের ডিম ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় প্রতি হালি ডিমের দাম প্রায় ৫ টাকা কমেছে।
এদিকে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা। সোনালি মুরগি ২২০ থেকে ২৩๐ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সবজির বাজারে অধিকাংশ পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে আলু, পেঁয়াজ, শসা ও গাজরের দাম। বর্তমানে পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং শসা ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় শসার দাম প্রায় ২০ টাকা বেড়েছে।
এ ছাড়া মিনিকেট চাল ৭৪ টাকা এবং আটাশ চাল ৫২ থেকে ৫৪ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, টমেটো ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, গাজর ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচাকলা প্রতি হালি ৩০ টাকা, লাউ ৩০ থেকে ৪০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, পটল ৪৫ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা, ঝিঙে ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৩০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা এবং চাল কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রাজশাহী নগরীর সাহেববাজারে বাজার করতে আসা সুলতান মাহমুদ বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় মুরগির দাম কমেছে, যা স্বস্তির বিষয়। তবে পেঁয়াজ, আলু, শসা, টমেটো ও গাজরের দাম এখনও অনেক বেশি।
মাস্টারপাড়া বাজারের সবজি বিক্রেতা এরশাদ আলী বলেন, বাজারে সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় বেশিরভাগ সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে খড়ার কারণে কিছু ক্ষেতের উৎপাদন কম হওয়ায় শসার দাম বেড়েছে।
ডিম ব্যবসায়ী জাহিদ হাসান বলেন, ঈদের পর থেকেই ডিমের দাম কমছে। অতিরিক্ত গরমের কারণে চাহিদা কমে যাওয়ায় বর্তমানে সাদা ডিমের দাম কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
মাছের বাজারে তেলাপিয়া ও পাঙাশের দাম তুলনামূলক কম থাকলেও অন্যান্য মাছের দাম এখনও বেশি। বর্তমানে রুই ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, কাতল ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকা, টেংরা ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা, চাষের শিং ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ২২০ টাকা, পাঙাশ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা এবং কোরাল মাছ ৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বোয়াল ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, দেশি কৈ ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা এবং দেশি শিং ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রাজশাহী মহানগর কাঁচাবাজার সমিতির সভাপতি ফাইজুল আলী বলেন, অধিকাংশ সবজির দাম আগের মতোই রয়েছে। তবে মাছ, আলু ও পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেড়েছে। অতিরিক্ত গরমের কারণে বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকায় বিক্রিও কম হচ্ছে।
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.