
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় বিদেশি ‘বাইকনুর’ জাতের আঙুর চাষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তরুণ উদ্যোক্তা ইমাম হাসান সাগর। তার বাগানে থোকায় থোকায় ঝুলছে আঙুর, যা দেখে অনেকেই প্রথমে বিদেশি বাগান মনে করলেও বাস্তবে এটি দেশের মাটিতেই গড়ে ওঠা সফল উদ্যোগ।
বাগমারা উপজেলার গণিপুর ইউনিয়নের হাসনিপুর গ্রামের বাসিন্দা ইমাম হাসান সাগর পেশায় একজন ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার। উচ্চশিক্ষা শেষে চাকরির পেছনে না ছুটে তিনি নিজ গ্রামে ফিরে এসে কৃষিকে বেছে নেন। নিজের পানের বরজ ভেঙে প্রায় দুই বিঘা জমিতে শুরু করেন বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষ।
তার বাগানে বর্তমানে প্রায় ৩৬০টি আঙুরের গাছ রয়েছে, যেগুলোর বয়স মাত্র ৯ থেকে ১০ মাস। প্রতিটি গাছে ১৫ থেকে ২০ কেজি পর্যন্ত ফলন এসেছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৭ টনের বেশি আঙুর উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখছেন তিনি। বাজারমূল্য হিসেবে কেজিপ্রতি প্রায় ৩০০ টাকা ধরে বছরে ২০ লাখ টাকার বেশি আয় করার আশা করছেন এই উদ্যোক্তা।
ভিনদেশি ফল হওয়ায় বাগানটি এখন স্থানীয়দের কাছে আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই অনেক দর্শনার্থী বাগানটি দেখতে আসছেন। কেউ কেউ আবার নিজ এলাকায় এমন বাগান গড়ার জন্য চারা সংগ্রহ করছেন।
স্থানীয় এক দর্শনার্থী সবুজ বলেন, “এমন দৃশ্য আগে শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখতাম। এখন নিজের এলাকায় দেখে সত্যিই অবাক হচ্ছি। এটি অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।”
উদ্যোক্তা সাগর জানান, ‘বাইকনুর’ ও ‘একলোয়’ জাতের আঙুর বাংলাদেশে ইতোমধ্যে পরীক্ষিত। এপ্রিল থেকে জুন মাস চারা রোপণের উপযুক্ত সময়। সঠিক পরিচর্যা ও পলিনেট সেট হাউসের ব্যবস্থা থাকলে সারা বছরই উৎপাদন সম্ভব।
এ বিষয়ে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) পাপিয়া রহমান বলেন, দেশে আঙুর চাষের প্রসার ঘটলে আমদানি নির্ভরতা কমবে এবং কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। কৃষি অধিদপ্তর থেকে উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.