বিবাহিত ও একাধিক মামলার আসামীকে ছাত্রলীগের সভাপতি করার অভিযোগ!
উমর ফারুক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি:
বিবাহিত ও একাধিক মামলার আসামীকে ছাত্রলীগের সভাপতি করার অভিযোগ! পঞ্চগড়ে বোদা উপজেলার বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি সম্প্রতি অনুমোদন দিয়েছে উপজেলা কমিটি। ২৩ সেপ্টেম্বর বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি অনুমোদন দেয় বোদা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রুবায়েদ হুসেন সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক আনজাম পিয়াল। ওই তালিকায় সভাপতি, সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ১১ জনের নাম উল্লেখ আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
সভাপতি পদে মোতাহার হোসেন, সহসভাপতি পদে রায়হানুল ইসলাম মানিক, অন্তর চন্দ্র বর্মন ও আরিফুজ্জামান আরিফ, সাধারণ সম্পাদক পদে আল মামুন শাহরুখ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, অমূল্য চন্দ্র ও ওমর ফারুক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক তুহিনুল ইসলাম তুহিন, শাহিবুর রহমান ও মেহেদী হাসানকে রাখা হয়েছে। ওই কমিটির সভাপতি করা হয়েছে মোতাহার হোসেন নামে এক তরুণকে। তবে তিনি বিবাহিত এবং তার বিরুদ্ধে আহমদিয়া সম্প্রদায়ের উপর হামলা ও ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের একাধিক মামলা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তার বিবাহের একটি কাবিননামাও ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্নভাবে। বিবাহিত একজনকে সভাপতি দায়িত্ব দেয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন ছাত্রলীগের তৃণমূল নেতারা। তবে বিবাহের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রলীগের সভাপতি পদ পাওয়া মোতাহার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ইউনিয়নের এক ছাত্রলীগ নেতা বলেন, মোতাহার যে বিয়ে করেছে এটা এলাকার সবাই জানে। আসলে কিভাবে কমিটি করা হয়েছে তা উপজেলা কমিটির নেতারাই ভালো বলতে পারবেন। শোনা যাচ্ছে অনেক টাকার লেনদেন হয়েছে।
নব ঘোষিত কমিটির সহসভাপতি অন্তর চন্দ্র বর্মন বলেন, আমি সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য আবেদন করেছিলাম আর যাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে তিনি আবেদন করেছিলেন সভাপতি পদের জন্য। কিন্তু কোন নিয়মে তাকে সাধারণ সম্পাদক ও আমাকে সহসভাপতি করা হয়েছে বুঝতে পারছি না। এছাড়া যাকে সভাপতি করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে অনেক রকম কথা শোনা যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমরাও বিব্রত।
মোতাহার হোসেন বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছি। এলাকার আমার জনপ্রিয়তা রয়েছে। বাবার কাছ থেকে নেয়া নিজের পকেটের টাকা খরচ করে অনেক দলীয় কর্মসূচি ও মানবিক কাজ করেছি। আমার কাজ ও জনপ্রিয়তাকে উপজেলা কমিটি মূল্যায়ন করে আমাকে সভাপতি করেছে। আমার বিয়ের বিষয়টি ভুয়া। আর আহমদিয়া সম্প্রদায়ের উপর হামলার ঘটনায় আমার বাবার ব্যবসায়ীক প্রতিপক্ষরা আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তবে পুলিশ বাদী কোন মামলায় আমাকে আসামী করা হয় নি। মূলত আমাকে প্রতিহত করার জন্যই একটি পক্ষ বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
বোদা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আনজাম পিয়াল বলেন, কমিটি গঠনের সময় তথ্য গোপন করা হয়েছিল। তবে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি বলছেন কাবিননামাটি এডিট করা। আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি। যদি বিবাহের বিষয়টি সত্যি প্রমাণিত হয় তাহলে ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাকে কমিটিতে রাখার সুযোগ নেই। এমনটি হলে ১ নম্বর সহসভাপতিকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হবে।
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.