পঞ্চগড়ে পশুর হাটে ভিড় বাড়লেও তুলনামূলক বাড়েনি বেচা-কেনা!
উমর ফারুক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি:
কোরবানির ঈদের বাকি আর মাত্র তিন দিন। দেশের বিভিন্ন এলাকার পাইকার ও খামারিরা ইতিমধ্যে পঞ্চগড়ের সর্ববৃহৎ রাজনগর পশুর হাটে কোরবানির পশু আনতে শুরু করেছেন। তবে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি তেমন একটা দেখা যায়নি। পুরদমে জমে ওঠছে কোরবানির পশুরহাটগুলো। দেখা গেছে উপচেপড়া ভিড়। তবে সব মানুষই ক্রেতা নয়। কেউ হাটে এসেছেন উৎসুক জনতা হিসেবে। একজন ক্রেতার পছন্দের গরু কিনতে সঙ্গে আছেন আরও ৫-৬ জন। একইভাবে এক বিক্রেতার সঙ্গেও একাধিক ব্যক্তির পদচারণ। সেই সঙ্গে চোখে পড়ার মতো দালালের দৌরাত্ম। সবমিলে পশুর হাটে ভিড় বাড়লেও তুলনামূলক এখনও বাড়েনি বেচা-কেনা।
পঞ্চগড় জেলার পশুর হাটসহ আরও বেশ কিছু হাটে দেখা গেছে- এমন দৃশ্য। দূর থেকে দেখলে মনে হয় জমে ওঠেছে পশুর হাট। কিন্তু হাটের ভেতর স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে দেখা যায় বিক্রেতাদের আরেক চিত্র। এখানে ক্রেতা-বিক্রেতার চেয়ে তিনগুণ মানুষের অবাধ বিচরণ
পঞ্চগড় রাজনগর পশুর হাট ঘুরেও দেখা গেছে এমন চিত্র । ক্রেতা উপস্থিতিও কম বিপাকে পড়েছে পশু বিক্রি করতে আসা মানুষজন যেসব পাইকার ও খামারিরাও এসেছেন তারা অলস সময় পার করছেন।
পঞ্চগড়ের সবচেয়ে বড় গরুর হাটে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নিয়ে আসা গরু খামারিরা ট্রাক থেকে নামিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে রাখছেন। অনেকে ঘুরে ঘুরে দেখছেন বিভিন্ন আকারের গরু। কেউ দাম জানতে চাচ্ছেন। এবার বাজারে গরু উঠেছে সর্বনিম্ন ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ৫ লাখ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত গরু উঠেছে। হাটগুলোর ইজারাদারের কর্মীরা জানান, কয়েক দিন ধরেই হাটগুলোতে গরু আসতে শুরু করেছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে হাটে পশু আরও বাড়বে। সেই সঙ্গে বিক্রিও জমে উঠবে বলে আশা করছেন তারা। পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তার স্বার্থে রাজনগর পশুর হাটে সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে এবং ডিজিটাল বুথ, জাল টাকা শনাক্তের মেশিনসহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মীর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানান তারা।
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.