
পঞ্চগড়ে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, আগে নদী খননের পর বালি পাড়েই রাখা হতো, যা বৃষ্টির সঙ্গে আবার নদী ভরাট করত। এবার খননের বালি অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হবে এবং নদীর ধারে গাছ রোপণের মাধ্যমে পরিবেশ ও পানি সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত সর্বদলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আগে সবাই যে যার ইচ্ছেমত অফিস করতো, এখন আর সেই সুযোগ নেই। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিবদের সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে উপস্থিত থাকতে হয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত অফিসে থাকতে হয়, তারপর মন্ত্রণালয়ের মিটিং আছে। এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে আমরা সবার জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, দুর্নীতির ক্ষেত্রে কোনো আপোষ নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নেতিবাচক ধারণা দূর করতে মন্ত্রণালয় ‘শূন্য থেকে শুরু’ করছে। আগামী চার বছরে ১২ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় খনন করা হবে, আর পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণ করা হবে। নদীর ধারে চারা রোপণের জন্য তিন বছরের দায়িত্ব বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় বা স্থানীয়দের দেওয়া হবে।
জমি দখল, চাঁদাবাজি ও মাদকের মতো অপরাধে দলের কেউ বা পরিবারের সদস্য জড়িত থাকলেও আপোষ হবে না বলে প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন। এছাড়া ঈদে ভিজিডির বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকৃত দুস্থদের তা নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “আমি সকল রাজনৈতিক দলের জন্য এমপি ও মন্ত্রী। আমার মন্ত্রণালয় ও অফিসের দরজা সর্বদা সকলের জন্য খোলা। মাদক ও ক্যাসিনোর মূল হোতাদের ধরতে পুলিশের নজরদারি বাড়াতে হবে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”
জেলা প্রশাসক কাজী মোঃ সায়েমুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা বিএনপি, জামায়াত, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, এনসিপি ও প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও শ্রেণী-পেশার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.