রাত পোহালেই শেরপুর-৩ আসনের ভোট, কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম
- আপডেট সময় : ০৭:১২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ১২০ বার পড়া হয়েছে

রাত পোহালেই শেরপুর-৩ আসনের ভোট, কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম
১২৮ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বুধবার; ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যাব-পুলিশ-সেনাবাহিনীর কড়া নিরাপত্তা
রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোটগ্রহণকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো শুরু হয়েছে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় সব নির্বাচনী সরঞ্জাম। নির্বাচনকে ঘিরে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বুধবার (৯ এপ্রিল)।
উল্লেখ্য, জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল-এর মৃত্যুতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি এ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। পরে নতুন তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করে। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটেও বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের ভোটগ্রহণের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২৬ উল্লেখ রয়েছে।
এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের প্রার্থী আলহাজ্ব মাসুদুর রহমান এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মাকসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান। শেষ মুহূর্তে প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন, নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠে থাকবে র্যাবের ১০টি টিম, অতিরিক্ত ৪টি রিজার্ভ টিম এবং পুলিশের ২৬টি মোবাইল টিম।
নির্বাচনী শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দুইজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ইলেকশন ইনকোয়ারি কমিটির তিনজন যুগ্ম জেলা জজ এবং ১৮ জন পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও সেনাবাহিনীর কয়েকটি টিম মাঠে থাকবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৫ থেকে ৬ জন পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ১২ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন থাকবে।
দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে ২৮টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তফসিল অনুযায়ী ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। আচরণবিধি লঙ্ঘন, সহিংসতা কিংবা কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে ভোটের দিন শেরপুর-৩ আসন এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।




















