মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার—‘ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে’
- আপডেট সময় : ০৪:০৫:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ২০৮ বার পড়া হয়েছে

মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার—‘ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে’
বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ নিয়ে বিরোধ; পুলিশ বলছে—আইন অনুসারে গ্রেপ্তার, মামলা আদালতে বিচারাধীন
রাজশাহীর পবা উপজেলায় ‘মিথ্যা মামলা’ ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম। সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে বায়া বাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করে বলেন—তার বিরুদ্ধে করা মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি অভিযোগ করেন, সৈয়দা রেহানা আশরাফী নামের এক নারী বাউন্ডারি দেয়ালের কাজ না করার অভিযোগ এনে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে শাহ মখদুম থানার পুলিশ তাঁকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। এ ঘটনায় তাঁর ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
রফিকুল ইসলাম আরও জানান, স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি রেহানা আশরাফীর জমির আট ফুট অংশ দখল করে রাস্তা তৈরি করেন। সরকার পরিবর্তনের পর জমি উদ্ধারে রেহানা তাঁর কাছে সহায়তা চান। সিনিয়রদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি জায়গাটি উদ্ধার করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করে দেন।
তিনি বলেন, “বাউন্ডারি দেয়ালের জন্য রেহানা আমাকে মাত্র সাত হাজার টাকা বিকাশে দেন। কিন্তু মামলায় এবং গণমাধ্যমে ৩২ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে—এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। দেয়াল তৈরিতে মোট খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। উল্টো তাঁর কাছেই আমার ৩৩ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে।”
রফিকুলের দাবি, পাওনা টাকা চাইতেই রেহানা আশরাফীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় এবং এর জের ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’ করা হয়েছে। তদন্ত ছাড়াই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে শাহ মখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ মাছুমা মুস্তারী বলেন—“অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তার অপরিহার্য মনে হওয়ায় তাঁকে আটক করা হয়। কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে পুলিশ কখনোই ব্যবস্থা নেয় না। মামলা আদালতে বিচারাধীন, তাই এর বাইরে কিছু বলা ঠিক হবে না।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন—নওহাটা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান ও সানোয়ার হোসেন।




















