ঢাকা ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাগাতিপাড়ায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা লেগে যুবক নিহত রাজশাহীতে হিমাগারে আলুর ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বেচাকেনা বন্ধ বাগাতিপাড়ায় উঠান বৈঠকে শেখ হাসিনার স্লোগানসংবলিত ব্যানার ব্যবহারের অভিযোগ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় ছেলের নতুন বিল্ডিংয়ে ঠাঁই হলো না ৯৬ বছরের বৃদ্ধা ছামেনা খাতুনের মান্দায় জলাবদ্ধতায় অনাবাদি হাজারো বিঘা জমি, সমাধান চান মান্দার কৃষকেরা লালপুরে নয়শত পেঁপে গাছ কেটে ফেলেছে দূর্বৃত্তরা, কৃষকের ক্ষতি ৯ লাখ টাকা নাটোরে আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবিতে শোভাযাত্রা ও মতবিনিময় সভা মাধবপুরে বালুবোঝাই ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় নারীসহ সিএনজির ২ যাত্রী নিহত, আহত দুই মোহনপুরে রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কে অটোরিকশা-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪ নাটোরে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধ/র্ষ/ণে/র প্রতিবাদে মানববন্ধন, ধ/র্ষ/কে/র ফাঁ’সি’র দাবি

প্যারোলে মুক্তি না পেয়ে জেলগেটেই মায়ের মুখ দেখলেন সাবেক এমপি আসাদ

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ০১:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫ ২৪২ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্যারোলে মুক্তি না পেয়ে জেলগেটেই মায়ের মুখ দেখলেন সাবেক এমপি আসাদ

মায়ের মৃত্যুর খবরে শেষবারের মতো মাকে দেখার জন্য প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ। তবে অনুমতি না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকেই অ্যাম্বুলেন্সে আনা হয় মায়ের মরদেহ। দূর থেকেই শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখেন আসাদুজ্জামান আসাদ। সোমবার (২ জুন) রাত সোয়া ৮টার দিকে এ দৃশ্য দেখা যায় রাজশাহী জেলগেটে।

আসাদুজ্জামান রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবার রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর তিনি গ্রেপ্তার হন এবং বর্তমানে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। সোমবার বিকেলে সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদের মা সালেহা বেগম (৮০) এর মৃত্যু হয়। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়। তবে নিরাপত্তা বিবেচনায় সেই আবেদন নাকচ করে কারা কর্তৃপক্ষ।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আসাদুজ্জামান আসাদ রাজশাহী নগরীর লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের সাত ভাই-বোনের মধ্যে পাঁচ ভাইই আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। চার ভাই এখনো আত্মগোপনে, আর আসাদুজ্জামান কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

মায়ের মৃত্যুর পর এই চার ভাই-ই মায়ের মুখ পর্যন্ত দেখতে পারেননি। শুধু এসেছিলেন সালেহা বেগমের তৃতীয় সন্তান আক্তারুজ্জামান। তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন, পেশায় একজন প্রাইভেট কার চালক।আক্তারুজ্জামান জানান, তিনি বিকেলে বাড়ি গিয়ে মায়ের মুখ দেখেছেন, তবে নিরাপত্তা শঙ্কায় অংশ নিতে পারেননি জানাজায়। সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় রাজশাহী নগরীর মহিষবাথান গোরস্থানে জানাজা শেষে সালেহা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) উম্মে কুলসুম সম্পা বলেন, বিষয়টি নিয়ে সাবেক এমপি আসাদের চাচা দরখাস্ত দিয়েছিলেন। তারা চেয়েছিলেন কারা ফটকে মৃত মাকে দেখার ব্যবস্থা করতে। তাই করা হয়েছে।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বলেন, মানবিক বিবেচনায় মরদেহটি জেলগেটে এনে সাবেক এমপিকে দূর থেকে দেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্যারোলে মুক্তি না পেয়ে জেলগেটেই মায়ের মুখ দেখলেন সাবেক এমপি আসাদ

আপডেট সময় : ০১:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

প্যারোলে মুক্তি না পেয়ে জেলগেটেই মায়ের মুখ দেখলেন সাবেক এমপি আসাদ

মায়ের মৃত্যুর খবরে শেষবারের মতো মাকে দেখার জন্য প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ। তবে অনুমতি না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকেই অ্যাম্বুলেন্সে আনা হয় মায়ের মরদেহ। দূর থেকেই শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখেন আসাদুজ্জামান আসাদ। সোমবার (২ জুন) রাত সোয়া ৮টার দিকে এ দৃশ্য দেখা যায় রাজশাহী জেলগেটে।

আসাদুজ্জামান রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবার রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর তিনি গ্রেপ্তার হন এবং বর্তমানে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। সোমবার বিকেলে সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদের মা সালেহা বেগম (৮০) এর মৃত্যু হয়। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়। তবে নিরাপত্তা বিবেচনায় সেই আবেদন নাকচ করে কারা কর্তৃপক্ষ।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আসাদুজ্জামান আসাদ রাজশাহী নগরীর লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের সাত ভাই-বোনের মধ্যে পাঁচ ভাইই আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। চার ভাই এখনো আত্মগোপনে, আর আসাদুজ্জামান কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

মায়ের মৃত্যুর পর এই চার ভাই-ই মায়ের মুখ পর্যন্ত দেখতে পারেননি। শুধু এসেছিলেন সালেহা বেগমের তৃতীয় সন্তান আক্তারুজ্জামান। তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন, পেশায় একজন প্রাইভেট কার চালক।আক্তারুজ্জামান জানান, তিনি বিকেলে বাড়ি গিয়ে মায়ের মুখ দেখেছেন, তবে নিরাপত্তা শঙ্কায় অংশ নিতে পারেননি জানাজায়। সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় রাজশাহী নগরীর মহিষবাথান গোরস্থানে জানাজা শেষে সালেহা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) উম্মে কুলসুম সম্পা বলেন, বিষয়টি নিয়ে সাবেক এমপি আসাদের চাচা দরখাস্ত দিয়েছিলেন। তারা চেয়েছিলেন কারা ফটকে মৃত মাকে দেখার ব্যবস্থা করতে। তাই করা হয়েছে।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বলেন, মানবিক বিবেচনায় মরদেহটি জেলগেটে এনে সাবেক এমপিকে দূর থেকে দেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।