ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মান্দায় তিনদিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন পঞ্চগড়ে জগদল ডিগ্রী কলেজে এমপি নওশাদ জমিরকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠান পঞ্চগড়ে চিলকা নদী থেকে পরিত্যক্ত মর্টার শেল উদ্ধার রাজশাহীতে ফুটপাত দখল ও অবৈধ পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান রাজশাহীতে অটোরিকশার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে মাঠে নেমেছে রাসিকের রাজস্ব বিভাগ রাজশাহীতে ২ লাখ ৩৩ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিটে কর্মরত ৫ লাখের বেশি মানুষ ঝিনাইগাতীর কাংশা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন মধ্যস্থানে নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন বাগাতিপাড়ায় গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত সামান্য বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায় জামনগর বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ভোগান্তিতে ব্যবসায়ী ও পথচারীরা পঞ্চগড়ে জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রিজাইডিং অফিসার হ/ত্যা মামলায় বিএনপির ১২৩ জন খালাস

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫ ৩৮৪ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রিজাইডিং অফিসার হ/ত্যা মামলায় বিএনপির ১২৩ জন খালাস

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ছেপড়িকুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার জবায়দুর রহমান হত্যার মামলায় বিএনপির ১২৩ জন নেতাকর্মীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সমরেশ শীল আসামীদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ওই ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছিলেন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার জবায়দুর রহমান। ভোট চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মারা যান। ঘটনার পর পুলিশ কনস্টেবল জাহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে বিএনপির স্থানীয় ১২৩ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও প্রায় ২শ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের আগস্টে সদর থানার এসআই আব্দুল মান্নান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল হালিম বলেন, “এটি ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক মামলা। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপির নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় জড়ায়। কোন সাক্ষীই অভিযোগের পক্ষে কথা বলেননি, এমনকি বাদীও নয়।” তিনি আরও বলেন, “১১ বছর ধরে আসামিরা হয়রানি ও ঘরছাড়া জীবন কাটিয়েছেন। আজকের রায়ে সত্যের জয় হয়েছে।”

সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ অভিযোগ বলেন “মূলত পুলিশের গুলিতেই ওই কর্মকর্তা নিহত হন। পরে তৎকালীন সরকার আমাদের নেতাকর্মীদের ফাঁসিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নিতে চেয়েছিল। এই মামলায় প্রায় সবাই জেল খেটেছেন। অবশেষে সত্যের বিজয় হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রিজাইডিং অফিসার হ/ত্যা মামলায় বিএনপির ১২৩ জন খালাস

আপডেট সময় : ০২:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রিজাইডিং অফিসার হ/ত্যা মামলায় বিএনপির ১২৩ জন খালাস

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ছেপড়িকুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার জবায়দুর রহমান হত্যার মামলায় বিএনপির ১২৩ জন নেতাকর্মীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সমরেশ শীল আসামীদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ওই ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছিলেন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার জবায়দুর রহমান। ভোট চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মারা যান। ঘটনার পর পুলিশ কনস্টেবল জাহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে বিএনপির স্থানীয় ১২৩ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও প্রায় ২শ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের আগস্টে সদর থানার এসআই আব্দুল মান্নান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল হালিম বলেন, “এটি ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক মামলা। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপির নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় জড়ায়। কোন সাক্ষীই অভিযোগের পক্ষে কথা বলেননি, এমনকি বাদীও নয়।” তিনি আরও বলেন, “১১ বছর ধরে আসামিরা হয়রানি ও ঘরছাড়া জীবন কাটিয়েছেন। আজকের রায়ে সত্যের জয় হয়েছে।”

সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ অভিযোগ বলেন “মূলত পুলিশের গুলিতেই ওই কর্মকর্তা নিহত হন। পরে তৎকালীন সরকার আমাদের নেতাকর্মীদের ফাঁসিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নিতে চেয়েছিল। এই মামলায় প্রায় সবাই জেল খেটেছেন। অবশেষে সত্যের বিজয় হয়েছে।