গোদাগাড়ীতে মাছ ব্যবসায়ীকে কু’পিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ছি’নতাই
- আপডেট সময় : ০৪:২০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৩০৯ বার পড়া হয়েছে

গোদাগাড়ীতে মাছ ব্যবসায়ীকে কু’পিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ছি’নতাই
ভোরে মাছ কিনতে যাওয়ার পথে রামনগর গোরস্থানের সামনে সশস্ত্র ছি’নতাই, থানায় মামলা
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মাছ কিনতে যাওয়ার পথে এক মাছ ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ভোরে গোদাগাড়ী পৌরসভার রামনগর গোরস্থানের সামনে এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যবসায়ীর নাম মুনসুর রহমান (৫৩)। তিনি গোদাগাড়ী উপজেলার কাকনপাড়া গ্রামের মো. মুরাদ আলীর ছেলে। ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়িতে অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় তিনি গোদাগাড়ী মডেল থানায় তিনজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন ভোর ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে মুনসুর রহমান ভ্যানচালক আরিফ আলীকে সঙ্গে নিয়ে মহিষালবাড়ী রেল বাজার মাছের আড়তে যাচ্ছিলেন। ভোর আনুমানিক ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে তারা রামনগর গোরস্থানের সামনে পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেলে আসা তিনজন অজ্ঞাতনামা যুবক তাদের পথরোধ করে।
পথরোধের কারণ জানতে চাইলে দুই যুবক ধারালো অস্ত্র (কাস্তে) দিয়ে মুনসুর রহমানের পিঠে এবং বাম পায়ের হাঁটুর নিচে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে দুর্বৃত্তরা তার শার্টের পকেটে থাকা মাছ কেনার জন্য রাখা নগদ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।
এ সময় ভ্যানচালক আরিফ আলীর পকেটে থাকা ১৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং আনুমানিক ১২ হাজার ৯৯৯ টাকা মূল্যের একটি ভিভো (Vivo Y12s) স্মার্টফোন জোরপূর্বক কেড়ে নেয় ছিনতাইকারীরা। এরপর তারা আমনুরার দিকে পালিয়ে যায়।
আহত ব্যবসায়ীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। মুনসুর রহমান জানান, চিকিৎসা গ্রহণ এবং পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করার কারণে থানায় অভিযোগ করতে কিছুটা দেরি হয়েছে।
এ বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ঘটনায় একটি মামলা রুজু হয়েছে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়েছে। ঘটনার সময় এলাকা ফাঁকা থাকায় কোনো প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি। এছাড়া দুর্বৃত্তদের মুখে মাস্ক থাকায় ভুক্তভোগীও তাদের চিনতে পারেননি। আশপাশে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পাওয়া গেলে তা সংগ্রহ করে শনাক্তের চেষ্টা করা হবে। তদন্তে কোনো গাফিলতি থাকবে না।


















